ছবি
অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কোয়কা প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময়
আনোয়ার হোসেন নয়ন:টাঙ্গাইল সিভিল সার্জনের সম্মেলন কক্ষে কোয়কা প্রকল্পের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ (NCD) প্রকল্প রিভিউ মিটিং এবং প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কোয়কা প্রকল্প কর্মকর্তা ডা. লিম। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. এফএম মাহবুবুল আলম মঞ্জুর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুল হক, কো-অরডিনেটর মেডিকেল অফিসার ডা. আবু জাফর এবং মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফরিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনায় ছিলেন, মি. লিপস মৃ।বক্তারা বলেন, অসংক্রামক রোগ (NCD) নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প রিভিউ মিটিং এবং প্রকল্প সম্প্রসারণ বিষয়ক মতবিনিময় সভা দেশের স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়নে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাংলাদেশে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, ক্যানসার এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো অসংক্রামক রোগের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকায় গ্রামীণ ও প্রান্তিক পর্যায়ে এই সেবা পৌঁছে দিতে প্রকল্প সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।সভায় রোগীরা হাসপাতালে আসার পর কীভাবে ধাপে ধাপে তাদের সেবা নিশ্চিত করা হবে- সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।টাঙ্গাইল জেলার ১২ টি উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও মেডিকেল অফিসাররা মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
১৮ ঘণ্টা আগে
স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ওই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি সখীপুর উপজেলার ইচ্ছাদিঘী গ্রামের আতিয়াপাড়ার হায়দর আলীর ছেলে মো. মেহেদী হাসান (৩৮)। রায়ে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।টাঙ্গাইলের পিপি মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, দণ্ডিত মেহেদী হাসান দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। জুয়ার টাকা ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী কাকলীর ওপর প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ৩ আগস্ট সকালে বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখা ছুরি বের করে কাকলীর পিঠে আঘাত করেন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কাকলীকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার দিনই নিহতের ভাই মো. বাদল মিয়া সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সখীপুর থানার পুলিশ গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকা থেকে আসামি মেহেদী হাসানকে গ্রেপ্তার করে। পরে তিনি দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। রায় ঘোষণা সময় আসামি মেহেদী হাসান আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
১৯ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা সদরের জনসেবা চত্বরে প্রথমবারের মতো জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(১ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শরীফা হক ওই জব ফেয়ারের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি। এসময় পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মাহবুব হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেলিম মিঞা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সুমাইয়া মমিন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।জনসেবা চত্বরের ওই জব ফেয়ারে ৫১টি স্টলে দেশের শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অংশ নিয়েছে এবং তাদের চাহিদা অনুযায়ী আগ্রহী প্রার্থীদের নির্বাচনের জন্য রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে সিভি জমা নিচ্ছেন।এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, চাকুরি করতে আগ্রহী এমন অনেক শিক্ষিত মানুষ বিভিন্ন সময় এসে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসব বিষয় চিন্তা করেই এই জব ফেয়ারের আয়োজন করা হয়েছে। এই জব ফেয়ারের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের চাহিদা অনুযায়ী আগ্রহী প্রার্থী নির্বাচন করতে পারবেন এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি হবে। পরবর্তীতেও এ ধরনের জব ফেয়ারের আয়োজন করা হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
বাসাইলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিত্যক্ত বাড়িতে ১০ ঘোড়া জবাই
বাসাইল প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা সদরের পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ১০টি ঘোড়া দুর্র্বৃত্তরা জবাই করে ৭টির মাংস নিয়ে গেছে এবং ৩টি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে গেছে। এঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার(৩০ আগস্ট) ভোরে বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকার পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বাসাইল পৌরসভার বর্ণীকিশোরী এলাকার পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ১০টি ঘোড়া জবাই করে। এসময় ৭টি ঘোড়ার মাংস নিতে পারলেও তিনটি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস নিতে পারেনি। সকালে স্থানীয়রা তিনটি জবাই করা ঘোড়া ও ৭টি ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুড়ি পড়ে থাকতে দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও পৌর কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।ধারণা করা হচ্ছে- অন্য জায়গা থেকে ঘোড়া নিয়ে এসে এই নির্জন পরিত্যক্ত জায়গায় মাংস বিক্রির জন্য জবাই করা হয়েছে। ভোর হওয়ার কারণে ৭টি ঘোড়ার মাংস নিতে পারলেও তিনটি জবাইকৃত ঘোড়ার মাংস নিতে পারেনি।স্থানীয় বাসিন্দা মফিজ মিয়া জানান, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি দেখতে যান। ওখানে ১০টি ঘোড়া জবাই করা হয়েছে। এরমধ্যে ৭টির মাংস নিয়ে গেছে আর তিনটি রেখে গেছে। তারা হয়তো কোন হোটেলে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে গেছে। এরআগেও উপজেলার নাইকানীবাড়ী ও গাজীর ভাঙ্গা এলাকায় ঘোড়ার মাথা, হাড়, চামড়া ফেলে গিয়েছিল।বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আলমগীর কবির জানান, পরিত্যক্ত একটি বাড়িতে ১০টি ঘোড়া জবাই করেছে দুর্বৃত্তরা। রাত ১টা থেকে ৪টার মধ্যে ঘোড়াগুলো জবাই করা হয়েছে। ভোর হয়ে যাওয়ায় ৭টি ঘোড়ার মাংস নিয়ে তিনটি জবাইকৃত ঘোড়া ফেলে রেখে চলে গেছে।বাসাইল পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, ৩টি জবাইকৃত ঘোড়াসহ ৭টির মাথা, হাড়, চামড়া ও নাড়িভুড়ি সেখান থেকে এনে অন্যত্র পুতে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিস্কার করা হয়েছে।
৩০ আগস্ট ২০২৬
মাদকাসক্ত ছেলের হাতে ভ্যান চালক বাবা খুন
নাগরপুর প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে ভ্যান চালক বাবা আব্দুর রহিম ভূইয়া(৫৫) খুন হয়েছেন। ছেলেকে টাকা দিতে দেরি হওয়ায় শীলপাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ওই উপজেলার বেকড়া আটগ্রাম ইউনিয়নের কোনাবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, রোববার সকালে ভ্যানচালক আব্দুর রহিম ভূইয়া নিজের ঘরে ভাত খেতে বসেন। এসময় মাদকাসক্ত ছেলে মোস্তফা ভূইয়া(২০) বাবার কাছে টাকা দাবি করে। টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং এক পর্যায়ে ঘরে থাকা শীলপাথর দিয়ে বাবার মাথায় জোরে আঘাত করেন। এতে বাবা আব্দুর রহিম মাটিতে লুটিয়ে পরেন এবং ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন।স্থানীয়রা জানায়, অভিযুক্ত মোস্তফা একজন মাদকাসক্ত। তিনি কিছুদিন আগে বিয়ে করেছেন। বিয়ের পর থেকে স্ত্রীকে অমানষিক নির্যাতন করছিলেন। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে সম্প্রতি স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে গেছেন।নিহতের স্ত্রী শিরিন বেগম ও বড় মেয়ে সালমা জানান, মোস্তফা একজন মানষিক ভারসম্যহীন। মাঝেমধ্যেই বাড়িতে পাগলামী করে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কদ্দুস জানান, অভিযুক্ত মোস্তফা একজন মাদকাসক্ত। টাকা-পয়সা নিয়ে বাবার সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে এ ঘটনাটি ঘটেছে।নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জহুরুল ইসলাম জানান, হত্যার পর ছেলে মোস্তফা ভূইয়া ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে ভাইকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রবীণ সেবা সংঘের চতুর্থ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবীণদের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘প্রবীণ সেবা সংঘ’ এর চতুর্থ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ও নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। টাঙ্গাইল শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে সম্প্রতি বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে আলোচনা, দোয়া ও প্রবীণদের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। সাধারণ সভা শেষে দুই বছর মেয়াদে কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়। নতুন কমিটিতে দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন- সভাপতি মো. আলমগীর খান, সহ-সভাপতি হাজী মো. সোলায়মান মোল্লা, সহ-সভাপতি হাজী মো. আব্দুল কাদের খান, সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আমিনুল ইসলাম, সহ- সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস ছাত্তার (নাজির), সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন (এএসআই অব.), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আইয়ুব আলী, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ধর্ম সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর, সহ-ধর্ম সম্পাদক ডা. মো. রমজান আলী, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাশেদ খান মেনন রাসেল,।কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছের- মো. ফরমান আলী মিঞা, মো. হযরত আলী, মো. আ. সামাদ, মো. শাহানুর হোসেন ও মো. শফিউদ্দিন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।প্রবীণ কল্যাণ সংঘের বিগত কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ উপদেষ্টানা উপস্থিত ছিলেন। টাঙ্গাইল পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ড এনায়েতপুর দক্ষিণ পাড়া (এসপি পার্ক) এলাকার বাসিন্দাদের নিয়ে চার বছর পূর্বে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।
৩০ আগস্ট ২০২৬
শান্তিতে ঘুমানোর দাবিতে দেউপাড়ায় মানববন্ধন ও গণবিক্ষোভ
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল-ধলাপাড়া সড়কের ঘাটাইল উপজেলার দেউপাড়া ইউনিয়নের কেরানীবাড়ী চৌরাস্তায় গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকালে মাদকের বিস্তার ও চুরি রোধ এবং রাতে শান্তিতে ঘুমানোর দাবিতে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়।গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ঘাটাইল উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক ও দেউপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব মো. জুয়েল রানা, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুল্লাহ আলামিন, দেউপাড়া ইউনিয়ন ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল রানা, স্থানীয় ইউপি সদস্য ইব্রাহিম মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য হযরত আলী, ওয়ার্ড যুব দলের সাধারণ সম্পাদক খোকন সিকদার, বিএনপি কর্মী মিয়া চান, আক্তার হোসেন, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেউপাড়া ইউনিয়নে বিশেষ করে কালিকাপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের দৌড়াত্মে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রকাশ্যে মাদক কেনাবেচা করছে। স্থানীয় যুবক-কিশোররা ওই মাদক সেবন করে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। মাদকের অবাধ বিস্তারের কারণে এলাকায় চুরি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রকট আকার ধারণ করেছে। প্রায়ই চুরি হওয়ার কারণে এলাকার মানুষ রাতে ঘুমাতে পারছেনা- এলাকাবাসী শান্তিতে ঘুমাতে চায়।বক্তারা আরো বলেন, মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবনকারীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর পক্ষে হাছান মিয়া ঘাটাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু পুলিশ নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে। বাধ্য হয়ে এলাকাবাসী দুই চোরকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তারা মাদক ব্যবসায়ী ও চোর সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের নাম প্রকাশ করে দিয়েছে। তার পরও মাদক প্রতিরোধে পুলিশ কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এতে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীরা আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। বক্তারা অনতিবিলম্বে মাদক ও চুরি প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।গণবিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচিতে স্থানীয় চার শতাধিক নারী-পুরুষ, রাজনৈতিক ব্যক্তি, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা অংশ নেয়। পরে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি সম্বলিত ‘গণস্বাক্ষর’ আবেদনপত্রে এলাকাবাসীর স্বাক্ষর নেওয়া হয়।
২৯ আগস্ট ২০২৬
চাঁদাবাজদের আতঙ্কে জুট মিল ম্যানেজারের মৃত্যু নিয়ে তোলপাড়!
বুলবুল মল্লিক:টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে চাঁদা না পেয়ে পাটকলের ম্যানেজারকে হুমকি দেওয়ার পর আতঙ্কে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার (২৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভূঞাপুর থানাধীন সারপলশিয়া মৌজায় অবস্থিত ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কোম্পানিতে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মিলের সুপারভাইজার মো. আক্তার হোসেন বাদী হয়ে থানায় মামলা করলেও পুলিশ কেবল চাঁদাবাজির ধারায় তা রেকর্ড করেছে। আসামিদের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ম্যানেজারের মৃত্যুর বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা তো নেওয়া হয়ইনি, উল্টো ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করতে দিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।সরেজমিনে মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভূঞাপুরের সারপলশিয়া এলাকায় ২০১৮ সালে উৎপাদনে আসা ‘ফুড অফিসার্স যমুনা জুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামক জুট মিলের ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন মো. সাজিদুর রহমান ওরফে শাহজাহান(৫৫)। তিনি ওই উপজেলার ভারই গ্রামের সাবেক পোষ্টমাষ্টার মৃত হাসান আলীর ছেলে। বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় পাথাইলকান্দি গ্রামের আসলামের ছেলে ওয়ারেস(২৫), সারপলসিয়া গ্রামের বাছেদের ছেলে মো. শামীম (৩০) এবং পাথাইলকান্দি গ্রামের মৃত আ. হাই তালুকদারের ছেলে মো. লিখন(৩০) মিলের ম্যানেজারের নিকট বিভিন্ন সময়ে সরাসরি এবং মোবাইল ফোনে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হুমকি দিয়ে আসছিল।এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ আগস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় অভিযুক্তরা তাদের দলবল নিয়ে মিলে ঢুকে ম্যানেজারের সাথে চরম অসদাচরণ করে এবং ২৪ আগস্টের মধ্যে চাঁদা না দিলে ম্যানেজারকে হত্যা করে লাশ গুম করার আল্টিমেটাম দেয়। সে সময় মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন, প্রোডাকশন ম্যানেজার মো. রমজান আলী, হিসাব রক্ষক মো. ইয়াসিন আরাফাতসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা তাদের চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তারা চলে যায়নি। ফলে চাঁদাবাজদের অব্যাহত হুমকিতে ম্যানেজার সাজিদুর রহমান চরম ভীতসন্তপ্ত ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। পরবর্তীতে গত ২৪ আগস্ট (সোমবার) সন্ধ্যা ৬টার দিকে অভিযুক্ত চাঁদাবাজরা মোটরসাইকেল যোগে পুনরায় মিলে ঢুকে ম্যানেজারকে খুঁজতে থাকে। এই খবর পেয়ে পূর্বের হুমকিতে আতঙ্কিত থাকা ম্যানেজার সাজিদুর রহমান ওরফে শাহজাহান তীব্র মানসিক আঘাতে মিলের ভেতরেই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ম্যানেজারের এই রহস্যজনক ও আকস্মিক মৃত্যুর পর পুলিশ কোনো ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফন করার অনুমতি দেয়।স্থানীয় কয়েকব্যক্তি জানায়, এলাকার বালু ব্যবসায়ীরা জায়গা ভাড়া নিয়ে ট্রাক যাতায়াতের রাস্তা তৈরি করেছে। জুট মিলের ট্রাক ওই রাস্তা বিনাভাড়ায় ব্যবহার করে থাকে- সেই বিষয়েই ওয়ারেস, শামীম, লিখন সহ কয়েকজন মিলে গিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেছেন।মিলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয়দের বেশিরভাগ মানুষ চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, ময়নাতদন্ত না করিয়ে পুলিশ প্রকারান্তরে চাঁদাবাজদের আড়াল করার এবং মৃত্যুর ঘটনার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। তারা অবিলম্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সুষ্ঠু বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।মিলের সহকারী প্রোডাকশন ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম ও ফেরদৌস ওয়াহিদ সহ সাধারণ শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, ওয়ারেস, শামীম, লিখনদের সরাসরি হুমকির কারণেই ম্যানেজার স্ট্রোক করে মারা গেছেন। অথচ পুলিশ মৃত্যুর মতো সংবেদনশীল ও গুরুতর বিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে গিয়ে কেবল চাঁদাবাজির সাধারণ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করেছে।মামলার বাদী ও মিলের সুপারভাইজার আক্তার হোসেন জানান, ২০১৮ সালের আগে স্থাপিত জুট মিলটিতে প্রায় ৫০০ শ্রমিক-কর্মচারী কাজ করছে। এ পর্যন্ত কোনোপ্রকার কথা হয়নি। হঠাৎ করেই ওয়ারেস, শামীম, লিখন সহ ৫-৬ ব্যক্তি চাঁদা আদায়ে উঠেপড়ে লাগে। ম্যানেজার চাঁদাবাজদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আতঙ্কিত হয়ে মিলেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। মামলার এজাহারে সে কথা উল্লেখ থাকার পরও পুলিশ সাধারণ চাঁদাবাজির ধারায় মামলা(নং-২০, তাং-২৬/৮/২৬ইং, ধারা-১৪৩/৪৪৭/৪৪৮/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড) রেকর্ড করা করেছে। মৃত্যুর পর ময়নাতদন্ত হওয়া একজন মানুষের মৌলিক অধিকার হলেও পুলিশ তা না করে মরদেহ দাফন করার অনুমতি দিয়ে অন্যায় করেছে।নিকরাইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মন্ডল জানান, জুট মিলের ম্যানেজার অসুস্থ ছিলেন এবং তিনি স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেন। ওখানে পাওনা টাকা নিয়ে ম্যানেজারের সঙ্গে বাকবিতন্ডা হয়েছে- চাঁদাবাজির কোনো বিষয় আছে বলে তিনি জানেন না।ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, জুট মিলের ঘটনায় চাঁদাবাজির সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে চাঁদাদাবিকারীদের সম্পৃক্ততা থাকলে তদন্তের পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি জানান, যেহেতু স্ট্রোক করে ম্যানেজারের মৃত্যু হয়েছে, তাই পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত করতে দেয়নি। মরদেহ পারিবারিকভাবে ধর্মীয় রীতিতে দাফন করা হয়েছে।
২৯ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়নের দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
দৃষ্টি নিউজ:দেশের আইনশৃঙ্খলা, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দিয়েছে সরকার। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকার দায়িত্ব পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠ প্রশাসন সংযোগ অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের।প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা। এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠ পর্যায়ে আরও কার্যকর তদারকি ও সমন্বয়ের লক্ষ্যে এই দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।রাজধানী ঢাকার মতো দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপিকে দেওয়াকে তাঁর প্রতি সরকারের আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন দায়িত্বে তিনি ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের তদারকিতে ভূমিকা রাখবেন।এদিকে, টাঙ্গাইলের সন্তান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু রাজধানী ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব পাওয়ায় টাঙ্গাইলবাসীর মধ্যেও আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মনে করছেন, জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা টুকুর ওপর ঢাকার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার দায়িত্ব অর্পণ টাঙ্গাইলের জন্যও গর্বের বিষয়।
২৭ আগস্ট ২০২৬
স্কুলের পুকুরে সাঁতার কাটতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু
আব্দুস সাত্তার:টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বল্লা করোনেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুকুরে সাঁতার কাটতে গিয়ে আশিক(১১) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় তিন ঘণ্টা পর পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আশিক কুড়িগ্রাম জেলার নাগেশ্বরী উপজেলার বাসিন্দা মাইদুল ইসলামের ছেলে। তার বাবা পরিবার নিয়ে কালিহাতী উপজেলার বল্লা পশ্চিমপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে বল্লা করোনেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পুকুরে সাঁতার কাটতে নামে আশিক। একপর্যায়ে সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় ধরে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে উদ্ধার করতে না পেরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টার অভিযানের পর পুকুর থেকে আশিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আশিকের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুজ্জামান আসাদ জানান, শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
২৭ আগস্ট ২০২৬
পিকআপভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যমুনায় ফেলার সময় চালক আটক
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে পিকআপভর্তি মেয়াদোত্তীর্ণ প্রায় কোটি টাকার সরকারি ওষুধ যমুনা নদীতে ফেলতে গিয়ে চালক আজমতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। বুধবার (২৬ আগস্ট) মধ্যরাতে উপজেলার গোবিন্দাসী টি রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।স্থানীয়রা জানায়, বুধবার দিনগত মধ্যরাতে একটি মালবোঝাই পিকআপ গোবিন্দাসীর টি রোডের কালা সড়ক ধরে যুমনা নদীর দিকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছিল। ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। এসময় চালক আজমত আটক হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা ভূঞাপুর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটক পিকআপ ও চালককে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন তারা।আটক পিকআপ চলক ও মালিক আজমতের দাবি, পিকআপ ভর্তি ওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এরআগেও ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীরে নিয়ে হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও একইভাবে ওষুধগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল ওষুধগুলো তাদের হাসপাতালের বলে স্বীকার করেছেন এবং এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) একেএম রেজাউল করিম জানান, জনগণ ওষুধ ও পিকআপ আটক করেছে। পরে পুলিশে সোপর্দ করলে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
২৭ আগস্ট ২০২৬
দেশে যে সংকট চলছে তা আমাদের নয়- পতিত সরকারের :: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
দৃষ্টি রিপোর্ট:মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান এমপি বলেছেন, দেশে যে সংকট এখন চলছে এটা আমাদের সংকট নয়, ১৮ বছরের ফ্যাসিবাদ এই সংকট তৈরি করে গেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সংকট উত্তোলনের জন্যে প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেন- ইনশাআল্লাহ অতিদ্রুত এই সংকট থেকে আমরা উত্তরণ করব। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, গত ১৮ বছরে আমাদের দেশের লেখাপড়ার মান ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা জানি যে একটা জাতিকে ধ্বংস করতে হলে সবার আগে তার শিক্ষাকে ধ্বংস করতে হবে। হাসিনার রেজিম সেই কাজটি করেছে। যখন দেশটা মেধার ভিত্তিতে চলবে না, লেখাপড়ার মান নিচে নেমে যাবে। দেশ নেশায় ভরে যাবে। দেশে দুর্নীতির আকণ্ঠ নেমে যাবে। তখন এই দেশটাকে শোষণ ও লুটপাট করা সহজ হবে- আর সেই কাজটি হাসিনার রেজিম ১৮ বছর করেছে।তিনি বলেন, আজকে আমরা শিক্ষার মান উন্নয়নের কথা বলছি। শুধু শিক্ষার মান উন্নয়ন নয়, আজকে অর্থনীতি তলানিতে। এই যে আমরা দেখি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা, কেন? বাংলাদেশ তো একসময় গ্যাসের উপর ভাসতো। বিদ্যুতের তো সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। তাহলে কেন আজকে সমস্যা? এই হাসিনার রেজিম, ফ্যাসিবাদি রেজিম এগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিদ্যুতের নামে লুটপাট করেছে। গ্যাস উত্তোলন না করে শুধু ইনপুট করেছে। আমাদের একটা প্রতিষ্ঠান আছে বেপজা সেটাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। এই নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার এসে গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থা করছে। আমরা বিদ্যুত উৎপাদনের ব্যবস্থা করছি দ্রুত।বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও অভিভাবক সদস্য সফিকুল ইসলাম লোটাসের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী’র সহধর্মিণী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইকবাল হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিয়ান মুনসীফ, বাসাইল ও সখীপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার একেএম মামুনুর রশীদ, বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর কবির, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মিয়া, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন আল জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক নূরনবী আবু হায়াত খান নবু, সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল, পৌর বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ পিন্টু প্রমুখ।
২৫ আগস্ট ২০২৬
করটিয়ায় মাদক-কিশোরগ্যাং ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধে মতবিনিময়
ইমরুল হাসান বাবু:টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়ায় মাদক, ইভটিজিং, কিশোরগ্যাং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসবিরোধী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৫ আগস্ট) দুপুরে আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী।করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিএনপি নেতা সৈয়দ জাদিদুল হকের সভাপতিত্বে ওই মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম মুক্তার সরোয়ার আশরাফি এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মতামত তুলে ধরেন।বক্তারা বলেন, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। তরুণদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহী করে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।এ সময় ইভটিজিং, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি অপরাধের তথ্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তাৎক্ষণিক জানানো এবং অপরাধীদের কোনো ধরনের আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা। এছাড়া মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।মতবিনিময় সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, নারী প্রতিনিধি, পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
২৫ আগস্ট ২০২৬
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ বছরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬ থেকে ২০৭৫ সাল পর্যন্ত ৫০ বছরের একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীদের শ্রেণি প্রতিনিধিদের (সিআর) সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার(২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের সেমিনার কক্ষে একাডেমিক মাষ্টার প্ল্যান প্রণয়ন কমিটির(Academic Master Plan Formulation Committee) আয়োজনে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য(ভিসি) ও একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান ফরমুলেশন কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। সভায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান ফরমুলেশন কমিটির এক্সপার্ট সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ এবং কমিটির সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন মো. তারিক একাডেমিক মাস্টার প্ল্যানের খসড়া আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করেন।এ সময় কমিটির সদস্য ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম মহিউদ্দিন, সদস্য সচিব বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম, শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শদান কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মনির মোর্শেদসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের সিআরবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থীদের সিআররা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশ, বিভাগভিত্তিক সুযোগ-সুবিধা, গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ, আধুনিক ল্যাবরেটরি ও শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি সুবিধা, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, কারিকুলাম আধুনিকায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিকীকরণ, ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিয়া সহযোগিতা, আবাসন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ আগামি ৫০ বছরের একাডেমিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে তাদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা, যুগোপযোগী কারিকুলাম, গবেষণা, উদ্ভাবন, দক্ষ মানবসম্পদ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব একাডেমিক পরিবেশ। আগামী ৫০ বছরে মাভাবিপ্রবিকে একটি আন্তর্জাতিক মানের, গবেষণানির্ভর ও আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে এই একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের মতামত ও প্রত্যাশাকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
২৫ আগস্ট ২০২৬
নাগরপুরে কলেজ ছাত্রকে হত্যার পর মাটি চাপা
নাগরপুর প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মুক্তিপন না পেয়ে শামিম (২৩) নামে এক কলেজ ছাত্রকে শ্বাসরোধে হত্যার পর ঘাতকের বাড়ির পাশে মাটি চাপা দেওয়া মরদেহ পুলিশ মঙ্গলবার(২৫ আগস্ট) সকালে উদ্বার করেছে। নিহত নাগরপুর উপজেলার শামিম ভাদ্রা ইউনিয়নের পং ভাদ্রা গ্রামের বিল্লাল মল্লিকের ছেলে। তিনি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনিস্টিটিউটের (সাইক ইনিস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি) শেষ বর্ষের ছাত্র। এ ঘটনায় পুলিশ ঘাতক ভিকন ভাদ্রা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিককে(২৮) গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছ থেকে হত্যাকান্ডের শিকার কলেজ ছাত্র শামিমের সেলফোন উদ্বার ও তার তথ্যমতে ঘটনাস্থল থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহটি উদ্বার করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ আগস্ট(শুক্রবার) বিকালে শামিম নিখোঁজ হন। নিখোঁজের ২ দিন পর ২৩ আগস্ট নিহতের বাবা বিল্লাল মল্লিক নাগরপুর থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করেন।পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার ২১ আগস্ট বিকালে ভিকন ভাদ্রা গ্রামের আব্দুল জব্বারের ছেলে অনিক মোবাইল ফোনে শামিমকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে শামিম নিখোঁজ হয়। অবশেষে শামিমের বাবা নাগরপুর থানায় সাধারণ ডাইরী করেন। শামিমের কল লিষ্টের সূত্র ধরে সোমবার (২৪ আগষ্ট) রাতে অনিককে তার বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। আটকের পর পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে শামিমকে গলায় রশি পেচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার পর তার বাড়ির পাশে মাটি চাপা দেওয়ার কথা স্বীকার করে। পুলিশ তার (অনিকের) বাড়ি থেকে শামিমের মোবাইল ফোন উদ্বার করে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে তার দেওয়া তথ্যমতে ঘটনাস্থল থেকে শামিমের বস্তাবন্দি অর্র্ধগলিত মরদেহটি উদ্বার করে।এ প্রসঙ্গে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জহুরুল ইসলাম জানান, মরদেহ উদ্বার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে নিহতের বাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে অনিক নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনিক একজন মাদকাসক্ত ও মাদক কারবারী। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে বেশকিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিষয়ে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
২৫ আগস্ট ২০২৬
রোটারি ক্লাবের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত
দৃষ্টি রিপোর্ট:পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয়ে টাঙ্গাইলে ‘Trees for Life-2026’ কর্মসূচির আওতায় রোটারি ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঐতিহাসিক কাগমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। মওলানা ভাসানী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যের ওই বিদ্যালয়ে রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল ও রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটির যৌথ উদ্যোগে এবং রোটারেক্ট ক্লাব অব মাওলানা ভাসানী টাঙ্গাইলের সহযোগিতায় কর্মসূচিটি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (IQAC)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল নাসির। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য , রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইলের সভাপতি রোটারিয়ান মো. মেসবাহ উদ্দিন(পিএইচএফ), রোটারি ক্লাব অব টাঙ্গাইল সিটির সভাপতি রোটারিয়ান প্রফেসর ডা. মো. শহীদুল্লাহ কায়সার, ক্লাবের সহ-সভাপতি ও ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. নাজমুস সাদেকিন (শাওন), সেক্রেটারি রোটারিয়ান আরিফুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি রোটারিয়ান মো. সামছুল আলম শিবলী, রোটারিয়ান রবিউল ইসলাম। এ ছাড়া বিদ্যালয়ের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক হালিমা খাতুন, রোটারেক্ট ক্লাব অব মাওলানা ভাসানীর পাস্ট প্রেসিডেন্ট সাকিব হাসান খান, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নাইম হোসেন, ক্লাবের পাবলিক লার্নিং অফিসার ও সাংবাদিক এস এম জাহিদ হোসেন, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, একটি গাছ শুধু বর্তমান প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং একটি সবুজ ও স্বাস্থ্যকর সমাজ গড়ে তুলতে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘Trees for Life-2026’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে সবুজায়নকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে সারা বাংলাদেশে লক্ষাধিক গাছ রোপণ করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে গত বছরের ন্যায় এ বছরও বৃহৎ পরিসরে ‘Trees for Life’ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য রোটারি ক্লাব অব ঢাকা মিডটাউন এবং ক্লাবটির পাস্ট প্রেসিডেন্ট মহিউদ্দিন পলাশের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
২৪ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে প্রাইমারি স্কুলের দেড় হাজার শিক্ষকের পদ শূণ্য!
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইল জেলার এক হাজার ৬২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক হাজার ৪৫৯টি শিকক্ষের পদ শূণ্য রয়েছে। এরমধ্যে ৮৮৮ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং ৫৭১ টি সহকারী শিক্ষকের পদ খালি। নিয়োগ ও পদন্নোতিসহ নানা জটিলতায় এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। ভুক্তভোগীরা দ্রুত সমাধানের দাবি করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়- টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় ১ হাজার ৬২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে ঘাটাইল উপজেলায় ১৭২ জনের মধ্যে ১১০জন, সখীপুর উপজেলায় ১৪৭ জনের মধ্যে ২৪, গোপালপুর উপজেলায় ১৬১ জনের মধ্যে ১২৬, বাসাইল উপজেলায় ৭৯ জনের মধ্যে ৩০, সদর উপজেলায় ১৬৩ জনের মধ্যে ৭৪ জন, দেলদুয়ার উপজেলায় ১০০ জনের মধ্যে ৬৩, মির্জাপুর উপজেলায় ১৭০ জনের মধ্যে ৬০, কালিহাতী উপজেলায় ১৭০ জনের মধ্যে ১১২, মধুপুর উপজেলায় ১১০ জনের মধ্যে ৭৩, নাগরপুর উপজেলায় ১৫৬ জনের মধ্যে ১০৫, ভূঞাপুর উপজেলায় ১১০ জনের মধ্যে ৭৫ এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৮৫ জনের মধ্যে ৩৬ জনের মোট ৮৮৮ টি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মরত রয়েছেন ৭৩৫ জন প্রধান শিক্ষক।সূত্রমতে, জেলায় সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ স্যংখ্যা ৯ হাজার ৬৮টি। এরমধ্যে ঘাটাইল উপজেলায় ৮৫, সখীপুর উপজেলায় ২৯, গোপালপুর উপজেলায় ৮১, বাসাইল উপজেলায় ১৩, সদর উপজেলায় ৪১, দেলদুয়ার উপজেলায় ৪৬, মির্জাপুর উপজেলায় ৫০, কালিহাতী উপজেলায় ৬৪, মধুপুর উপজেলায় ২৭, নাগরপুর উপজেলায় ৬৫, ভূঞাপুর উপজেলায় ৫৪ ও ধনবাড়ী উপজেলায় ১৬ জনসহ মোট ৫৭১টি পদ শূন্য আছে। কর্মরত আছেন ৮ হাজার ৪৯৭ জন সহকারী শিক্ষক।ঘাটাইল উপজেলার খাজনাগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহাকরী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) নাসির উদ্দিন জানান, ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১২ জন। তাদের দুই শিফটে পাঠদান হয়ে থাকে। শিক্ষক পদসংখ্যা ৫ জন হলেও কর্মরত আছেন মাত্র ২ জন। অফিশিয়াল অনেক নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ব্যস্ত থাকতে হয়। বাকি একজন শিক্ষকের পক্ষে পাঠদান করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। একদিকে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত শিক্ষা থেকে যেমন বঞ্চিত হচ্ছে। তেমনি বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতায় তারা পিছিয়ে পড়ছে। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের অন্য প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাচ্ছে। তিনি সমস্যার দ্রুত সমাধান চান।বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা শাখার সভাপতি বাশিরুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যপূরণ এবং মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। একজন শিক্ষককে সপ্তাহে প্রায় ২৫ থেকে ৩০টি ক্লাস নিতে হয়। শিক্ষক ঘাটতি থাকা বিদ্যালয়ে ৩৫ থেকে ৪০টি নিতে হয়। ফলে শিক্ষকের শ্রেণিকক্ষে শেখানো কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সময় ও শিক্ষার্থীর শিখন নিশ্চিত করা যায় না। বেইজ লাইন সার্ভে পরিচালনা করা প্রায় অসম্ভব। প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী। তিনি আশা করেন, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ শহীদুজ্জামান মিয়া জানান, শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এবং আজকের শিশুরাই আগামির ভবিষ্যৎ। তাই প্রতিটি শিশুকে মানসম্মত শিক্ষায় গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব। কোমলমতী শিক্ষার্থীরা যেনো বিশ্বায়নের প্রতিয়োগিতায় পিছিয়ে না পড়ে সেটা খেয়াল রাখতে হবে। শিক্ষাদান পদ্ধতির উন্নতির জন্যে শিক্ষকদের বাস্তবভিত্তিক যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দরকার।টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহীন মিয়া জানান, শিক্ষক সংকটের কারণে বিদ্যালয়গুলোয় পাঠদাসসহ নানা সমস্যা হচ্ছে। শূণ্যপদের মধ্যে বেশিরভাগই প্রান্তিক ও দুর্গম অঞ্চলের। সংযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষক সমন্বয় করে সমাধান করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সরকারকে শূন্যপদ পূরণে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কর্মঠ এবং মেধাবী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে শিক্ষকতা করতে হবে এমন বাধ্যবাধকতার নিয়ম আনা জরুরি। সেইসাথে চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে সহকারী শিক্ষকের পদে নিয়োগের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
২৪ আগস্ট ২০২৬
টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন
দৃষ্টি রিপোর্ট:টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৩আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান ওই দণ্ডাদেশ দেন। সাজাপ্রাপ্ত আব্দুল গফুর (৪২) টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার মালেঙ্গা (জোয়াহের আলীর চালা) গ্রামের মৃত কানছু সেখের ছেলে।টাঙ্গাইলের পিপি অ্যাডভোকেট মো. শফিকুল ইসলাম রিপন জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে আব্দুল গফুরের সাথে ঘাটাইলের মাকড়াই গ্রামের মৃত কোপাত আলীর মেয়ে সেলিনা খাতুনের বিয়ে হয়। পারিবারিক বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া লেগে থাকত। বিগত ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর সন্ধ্যায় সেলিনা নিখোঁজ হন। পরদিন ২১ নভেম্বর বিকালে মাকড়াই গ্রামের একটি জঙ্গলের ড্রেন থেকে সেলিনার মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে। পারিবারিক কলহের জের ধরে সেলিনা খাতুনকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বামী আব্দুল গফুর।এ ঘটনায় সেলিনার ভাই আব্দুল মান্নান ২২ নভেম্বর ঘাটাইল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ গফুরকে গ্রেপ্তার করলে তিনি আদালতে দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। একই বছর ৩১ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দেয় পুলিশ।বিচার শেষে আদালত আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট জোবায়ের হোসেন জয়।
২৩ আগস্ট ২০২৬
পৌজান বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ছয় দোকান ভস্মীভুত
কালিহাতী প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভুত হয়েছে। এতে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের পৌজান বাজারে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।স্থানীয়রা জানায়, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে বাজারের সজল চন্দ্র সাহা ও গৌতম কুমার দেবের মুরগির ফিডের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে সজল চন্দ্র সাহা ও গৌতম কুমার দেবের মুরগির ফিডের দোকান, বাবুর টেলিভিশন মেকানিকের দোকান, আব্দুল কাদেরের জুতার দোকান, রাজীব কুমারের সেলুন, সোহেল রানার মুরগির ফিডের দোকান এবং সাধন চন্দ্র সাহার মনোহরি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে কালিহাতী ও এলেঙ্গা থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- ছয়টি দোকান ভস্মীভুত হয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।এ বিষয়ে এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন অফিসার আতাউর রহমান জানান, তারা রাত ১২টা ৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে প্রায় ১০ মিনিট সময় লাগে। ফায়ার সার্ভিসের এক ইউনিটে আটজন সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ আরও যাচাই করা হচ্ছে।
২৩ আগস্ট ২০২৬